এ কাজে নেতৃত্ব দিয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ব্যক্তিত্ব ‘দরবেশ’ খ্যাত ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর ডটকম। সঙ্গে ছিল কট্টর আওয়ামীপন্থী অনলাইন সংবাদপত্র বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোরডটকম, পরিবর্তন ডটকম, ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম ইত্যাদি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম’-এর এ সংক্রান্ত একটি সংবাদের শিরোনাম ছিল, ‘আছেন তারা ১১ জন’। এখানে ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে ‘ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, বিচারপতি বিমলেন্দু বিকাশ চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল মালেক ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরী মারা গেছেন’ বলে উল্লেখ করা হয়। সংবাদটি দেখে আমার দেশ-এর পক্ষ থেকে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল মালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজে ফোন রিসিভ করে জানান সুস্থ আছেন!
এছাড়া ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে ‘অধ্যাপক শামসুল হক, সাবেক গভর্নর সেগুফতা বখত চৌধুরী এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুর রহমান খান মারা গেছেন’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে সংবাদে। অথচ তাদের মধ্যে সাবেক গভর্নর সেগুফতা বখত চৌধুরী এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুর রহমান খান এখনও জীবিত আছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
পরিবর্তনডটকমের শিরোনাম ছিল, ‘২০-এ নেই অর্ধেকও’। তারা ৭ জনকে মৃত দেখায়, বিডিনিউজ যাদের মৃত দেখিয়েছে। পরিবর্তন আরও যোগ করে, ‘আবার জীবিতদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ আছেন কয়েকজন। এর মধ্যে অন্তত একজন উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করার মতো শারীরিক অবস্থায় নেই।’ এছাড়া পত্রিকাটি জানিয়েছে, সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান আর উপদেষ্টা হবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরডটকম-এর এ সংক্রান্ত সংবাদের শিরোনাম ছিল, ‘সেই ২০ উপদেষ্টার কে কোথায়’। এখানে ছয়জনকে মৃত দেখানো হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক গভর্নর সেগুফতা বখত চৌধুরী এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুর রহমান খান। প্রকৃতপক্ষে এ দু’জন জীবিত আছেন।
এছাড়া বিডিনিউজের একটি প্রতিবেদন ছিল, ‘রাজি হবেন না সাবেক উপদেষ্টারা’ শিরোনামে। যেখানে বলা হয়েছে, সাবেক উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহুমদ এবং হাফিজ উদ্দিন খান আবার উপদেষ্টা হতে চান না।

No comments:
Post a Comment