খালেদা জিয়া সোমবার রাতে নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে ফেরার সময় তার
গাড়িবহর থেকে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে আটক করেছে
পুলিশ।
নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থানরত যুগ্মসহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অসুস্থ হওয়ায় রাতে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
সেখান থেকে ফেরার সময় রাত সোয়া ১১টার দিকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে টুকুকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায় বলে বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন।
এই ঘটনার কারণে গুলশানমুখী খালেদা জিয়ার গাড়ি নয়া পল্টনে প্রায় ১৫ মিনিট আটকে ছিল। বিএনপি নেতা-কর্মীরাও উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন। প্রত্যক্ষ্যদর্মীরা জানায়, এ সময় খালেদা জিয়া প্রায় অরক্ষিত ছিল।
হৈ চৈ -এর মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস সেখানে উপস্থিত ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মো. আশরাফুজ্জামানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়।
এরপর পরিস্থিতি শান্ত হলে খালেদা জিয়ার গাড়ি গুলশানে বাড়ির পথে রওনা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রিজভীকে দেখে বেরিয়ে রওনা হওয়ার সময় খালেদা জিয়ার গাড়ির পেছনে তা নিরাপত্তা কর্মীদের একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। ওই সময় গাড়িতে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডা হয়।
পুলিশ বিরোধীদলীয় নেতার নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল মজিদ এবং নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদকে মারধর এবং গাড়ির কাচ ভাংচুর করে বলে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ।
নেতা-কর্মীদের উত্তেজনার মধ্যে শিমুল বিশ্বাস সেখানে উপস্থিত হয়ে উপকমিশনার আশরাফুজ্জামানকে বলেন, “এভাবে বিরোধীদলীয় নেতার গাড়িবহর থেকে কৌশল করে টুকুকে আটক করে আপনারা সঠিক কাজ করেননি।”
জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান বলেন, “অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা কিভাবে ইউনিফর্ম পরা পুলিশের গায়ে হাত তোলে? তা আমাদের বলতেও দুঃখ হয়। এটা তারা (খালেদা জিয়ার নিরাপত্তাকর্মীরা) ঠিক করেনি।”
সেখানে থাকা অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মেহেদি হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “ম্যাডামের গাড়িবহর যখন সাজানো হচ্ছিল, তখন পেছন থেকে একটি গাড়ি আমাদের চাপা দেয়ার চেষ্টা করে। এতে আমিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।”
মেহেদি হাসান বলেন, “ওই গাড়িতে আরোহী ছিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।”
গাড়িচালককে আটক না করে আরোহীকে আটক করা হল কেন- প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “চালক পালিয়ে গেছে। কিন্তু আমাকে টার্গেট করে কোন ষড়যন্ত্রে চাপা দিতে চেয়েছে, সেজন্য টুকুকে আটক করা হয়েছে।”
এই বছরই বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ নেতাদের আটকের সময় অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মেহেদি হাসান। টুকু ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার আসামি আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই।
এক পর্যায়ে শিমুল বিশ্বাস পুলিশ কর্মকর্তা আশরাফকে অনুরোধ জানান, টুকুকে যেন ছেড়ে দেয়া হয়।
এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর নয়া পল্টন কার্যালয় থেকে গুলশানের পথে রওনা হয়।
নির্দলীয় সরকারের রূপরেখা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন এবং এরপর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনার সঙ্গে বৈঠকের পর রাত ১০টা ৫০ মিনিটে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান খালেদা জিয়া।
তিনি তৃতীয় তলায় গিয়ে রিজভীর সঙ্গে কথা বলেন, তার অসুস্থতার বিষয়ে চিকিত্সকদের কাছে খোঁজ-খবরও নেন।
গত শুক্রবার থেকে নয়া পল্টনের কার্যালয় পুলিশ ঘিরে রেখেছে। রিজভী তারপর থেকে সেখানেই রয়েছেন।
খালেদা যাওয়ার সময় দলীয় কার্যালয়ে ছিলেন- সাংবাদিক শফিক রেহমান, বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমিরউদ্দিন সরকার, আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, শাহজাহান ওমর, বরকতউল্লাহ বুলু, ফজলুল হক মিলন, মজিবুর রহমান সরোয়ার, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবুল খায়ের ভূইয়া, হাবিব-উন নবী খান, মীর সরফত আলী সপু, শিরিন সুলতানা, বজলুল করীম চৌধুরী আবেদ প্রমুখ।
নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থানরত যুগ্মসহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অসুস্থ হওয়ায় রাতে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
সেখান থেকে ফেরার সময় রাত সোয়া ১১টার দিকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে টুকুকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায় বলে বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন।
এই ঘটনার কারণে গুলশানমুখী খালেদা জিয়ার গাড়ি নয়া পল্টনে প্রায় ১৫ মিনিট আটকে ছিল। বিএনপি নেতা-কর্মীরাও উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন। প্রত্যক্ষ্যদর্মীরা জানায়, এ সময় খালেদা জিয়া প্রায় অরক্ষিত ছিল।
হৈ চৈ -এর মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস সেখানে উপস্থিত ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মো. আশরাফুজ্জামানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়।
এরপর পরিস্থিতি শান্ত হলে খালেদা জিয়ার গাড়ি গুলশানে বাড়ির পথে রওনা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রিজভীকে দেখে বেরিয়ে রওনা হওয়ার সময় খালেদা জিয়ার গাড়ির পেছনে তা নিরাপত্তা কর্মীদের একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। ওই সময় গাড়িতে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডা হয়।
পুলিশ বিরোধীদলীয় নেতার নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল মজিদ এবং নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদকে মারধর এবং গাড়ির কাচ ভাংচুর করে বলে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ।
নেতা-কর্মীদের উত্তেজনার মধ্যে শিমুল বিশ্বাস সেখানে উপস্থিত হয়ে উপকমিশনার আশরাফুজ্জামানকে বলেন, “এভাবে বিরোধীদলীয় নেতার গাড়িবহর থেকে কৌশল করে টুকুকে আটক করে আপনারা সঠিক কাজ করেননি।”
জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান বলেন, “অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা কিভাবে ইউনিফর্ম পরা পুলিশের গায়ে হাত তোলে? তা আমাদের বলতেও দুঃখ হয়। এটা তারা (খালেদা জিয়ার নিরাপত্তাকর্মীরা) ঠিক করেনি।”
সেখানে থাকা অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মেহেদি হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “ম্যাডামের গাড়িবহর যখন সাজানো হচ্ছিল, তখন পেছন থেকে একটি গাড়ি আমাদের চাপা দেয়ার চেষ্টা করে। এতে আমিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।”
মেহেদি হাসান বলেন, “ওই গাড়িতে আরোহী ছিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।”
গাড়িচালককে আটক না করে আরোহীকে আটক করা হল কেন- প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “চালক পালিয়ে গেছে। কিন্তু আমাকে টার্গেট করে কোন ষড়যন্ত্রে চাপা দিতে চেয়েছে, সেজন্য টুকুকে আটক করা হয়েছে।”
এই বছরই বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ নেতাদের আটকের সময় অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মেহেদি হাসান। টুকু ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার আসামি আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই।
এক পর্যায়ে শিমুল বিশ্বাস পুলিশ কর্মকর্তা আশরাফকে অনুরোধ জানান, টুকুকে যেন ছেড়ে দেয়া হয়।
এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর নয়া পল্টন কার্যালয় থেকে গুলশানের পথে রওনা হয়।
নির্দলীয় সরকারের রূপরেখা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন এবং এরপর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনার সঙ্গে বৈঠকের পর রাত ১০টা ৫০ মিনিটে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান খালেদা জিয়া।
তিনি তৃতীয় তলায় গিয়ে রিজভীর সঙ্গে কথা বলেন, তার অসুস্থতার বিষয়ে চিকিত্সকদের কাছে খোঁজ-খবরও নেন।
গত শুক্রবার থেকে নয়া পল্টনের কার্যালয় পুলিশ ঘিরে রেখেছে। রিজভী তারপর থেকে সেখানেই রয়েছেন।
খালেদা যাওয়ার সময় দলীয় কার্যালয়ে ছিলেন- সাংবাদিক শফিক রেহমান, বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমিরউদ্দিন সরকার, আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, শাহজাহান ওমর, বরকতউল্লাহ বুলু, ফজলুল হক মিলন, মজিবুর রহমান সরোয়ার, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবুল খায়ের ভূইয়া, হাবিব-উন নবী খান, মীর সরফত আলী সপু, শিরিন সুলতানা, বজলুল করীম চৌধুরী আবেদ প্রমুখ।
No comments:
Post a Comment