বাংলাদেশে বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে ইউরোপের ১৫টি দেশের বিএনপি সংগঠন প্রতিবাদ সভা করেছে জার্মানের বার্লিনে।
বাংলাদেশ পলিসি ফোরাম জার্মান শাখার উদ্যোগে বার্লিনে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি নিয়ে সভার আয়োজন করা হয় সোমবার। তবে শেষ পর্যন্ত সেমিনারটি পরিণত হয় বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদসভা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে যোগ দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান। জার্মান বিএনপির সভাপতি আকুল মিয়ার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বৃটেন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ মালিক।
এছাড়া বক্তব্য দেন বেলজিয়াম বিএনপির সভাপতি সানোয়ার আলী সিদ্দিক, বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন ঝিন্টু।
প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আর কোন আন্দোলন সংগ্রাম এই মুহূর্তে নেই। সব গ্রুপিং ভুলে দেশ ও দলের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।”
বিশেষ অতিথি এম এ মালিক বলেন, “বাংলাদেশে দলীয় চেয়ারপারসনের গাড়িতে যে হামলা হয়েছে তার প্রতিবাদে সারা ইউরোপ থেকে আন্দোলন সংগ্রামের ডাক দিতে হবে। বর্তমান সরকার ফ্যাসিস্ট সরকার। এরা একদলীয় শাসনব্যবস্থার দিকে দেশকে নিয়ে যাচ্ছে, যা আমাদের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।”
ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, বৃটেন, অস্ট্রিয়সহ ১৫টি দেশের ৫০ জন ডেলিগেটস এতে অংশ নেন।
বাংলাদেশ পলিসি ফোরাম জার্মান শাখার উদ্যোগে বার্লিনে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি নিয়ে সভার আয়োজন করা হয় সোমবার। তবে শেষ পর্যন্ত সেমিনারটি পরিণত হয় বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদসভা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে যোগ দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান। জার্মান বিএনপির সভাপতি আকুল মিয়ার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বৃটেন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ মালিক।
এছাড়া বক্তব্য দেন বেলজিয়াম বিএনপির সভাপতি সানোয়ার আলী সিদ্দিক, বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন ঝিন্টু।
প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আর কোন আন্দোলন সংগ্রাম এই মুহূর্তে নেই। সব গ্রুপিং ভুলে দেশ ও দলের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।”
বিশেষ অতিথি এম এ মালিক বলেন, “বাংলাদেশে দলীয় চেয়ারপারসনের গাড়িতে যে হামলা হয়েছে তার প্রতিবাদে সারা ইউরোপ থেকে আন্দোলন সংগ্রামের ডাক দিতে হবে। বর্তমান সরকার ফ্যাসিস্ট সরকার। এরা একদলীয় শাসনব্যবস্থার দিকে দেশকে নিয়ে যাচ্ছে, যা আমাদের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।”
ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, বৃটেন, অস্ট্রিয়সহ ১৫টি দেশের ৫০ জন ডেলিগেটস এতে অংশ নেন।
No comments:
Post a Comment